দিনাজপুর চিরিরবন্দরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিমা ভাংচুর


২৪ ঘন্টা বার্তা   প্রকাশিত হয়েছেঃ   ৬ মার্চ, ২০২১

অনলাইন ডেস্ক:: দিনাজপুর চিরিরবন্দরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিমা ভাংচুর করেছে প্রতিপক্ষরা। এ ঘটনায় শুক্রশীল বাদি হয়ে ৮ জন নামীয় ও অজ্ঞাত ৩/৪ জনকে আসামি করে চিরিরবন্দর থানায় একটি মামলা রুজু করেছে।
ঘটনাটি পুনট্রি ইউনিয়নের বড় নাপিত পাড়া শুক্রচন্দ্র শীলের বাড়িতে গত ২ মার্চ মঙ্গলবার দুপুর সোয়া ১২ টার সময় ঘটেছে।

স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শি ও থানায় দায়েরকৃত বাদীর এজাহার সুত্রে জানা গেছে, শুক্রচন্দ্র শীলের পৌত্রিক সম্পত্তি গুলো প্রতিপক্ষ স্থানীয় মতিমোল্লা ও তার ছেলেরা তাদের নিজেদের দাবি করে পুকুর থেকে মাছ ও বাশঁ ঝাড় থেকে বাঁশ কেটে নিয়ে যাওয়ার সময় শুক্রচন্দ্র শীলের পরিবারের সদস্যরা বাধা দিলে তাদের মারধর করা হয়। এতে ৩ জন আহত হয়। বর্তমানে তারা দিনাজপুর এম আবদুর রহিম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে উভয় পক্ষের সৃষ্ট বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে শুক্রচন্দ্র শীলের অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ২ মার্চ দুপুর ১২টায় চিরির বন্দর থানার এস আই কমল চন্দ্র ও তার সংগীয় কনষ্টেবল ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয়কে কাগজপত্র সহ থানায় হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়ে কোন প্রকার বাকবিতন্ডা, মারামারি করতে নিষেধ করে চলে যায়। পুলিশ চলে যাওয়ার পরপরই সংঘবদ্ধ হয়ে প্রতিপক্ষরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এসে শুক্রশীলের অন্ধ বোন জেবা রানী শীল, স্ত্রী শুভা রানী শীল এবং দেড় বছরের নাতির উপর আক্রমণ করে এবং বিরোধপুর্ন জমির উপর নির্মিত মন্দিরের প্রতিমা ও মন্দির ভাংচূর করে চলে যায়।
সংবাদ পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে চিরিরবন্দর সহকারি কমিশনার (ভূমি) ইরতিজা হাসান, থানার কর্মকর্তা ইনচার্জ সুব্রত কুমার সরকার সরেজমিনে ঘটনাটি পরিদর্শন করে বলেন, ব্যক্তিগত স্বার্থ উদ্ধারে ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাত করাটা মোটেও উচিত হয়নি। তবে যারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। গত ৫ মার্চ শুক্রবার রাতভর মতিমোল্লার বাড়িতে সহ আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ ব্যাপারে মতিমোল্লাহর সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও পলাতক থাকায় বক্তব্য নেয়া যায়নি।