বরগুনার আমতলীতে দুই ইউপি সদস্য প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে আহত ১০


২৪ ঘন্টা বার্তা   প্রকাশিত হয়েছেঃ   ৩ এপ্রিল, ২০২১

অনলাইন ডেস্ক :: বরগুনার আমতলী উপজেলার আড়পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের দুই ইউপি সদস্য প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে ১০ আহত হয়েছে। গুরুতর আহত চারজনকে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার সন্ধ্যায় যুগিয়া গ্রামে।জানা গেছে, উপজেলার আড়পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য প্রার্থী মোঃ ফোরকান চৌকিদার ও তার প্রতিদ্বন্ধি প্রার্থী মোঃ জালাল হাওলাদারের সমর্থকদের মধ্যে বৃহস্পতিবার রাতে যুগিয়া মসজিদে বসে চলমান নির্বাচন স্থগিত করা নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। এর জের ধরে শুক্রবার সন্ধ্যায় ইউপি সদস্য প্রার্থী ফোরকান চৌকিদারের সমর্থক বায়েজিদ, আমিনুল, নাশির চৌকিদার, জহিরুল ও হাইরাজ অপর প্রতিদ্বন্ধি প্রার্থী জালাল হাওলাদারের উপর হামলা চালায়। প্রার্থী জালালকে রক্ষায় তার লোকজন এগিয়ে এলে উভয় পক্ষ ধারালো অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে ইউপি সদস্য প্রার্থী জালাল হাওলাদার (৫০), সুমন হাওলাদার (২৫), রুমা বেগম (৪০), নাসিমা (২৫) সুমাইয়া (২৭), নাশির চৌকিদার (৫৫), আমিনুল চৌকিদারসহ (৩০) ১০ জন আহত হয়েছে। গুরুতর ত ইউপি সদস্য প্রার্থী জালাল হাওলাদার (৫০), সুমন হাওলাদার (২৫) নাশির চৌকিদার (৫৫) ও আমিনুলকে (৩০) আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হয়। ওই হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক এমদাদুল হক চৌধুরী তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে প্রেরন করেছেন। অপর আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।আহত ইউপি সদস্য প্রার্থী জালাল হাওলাদার বলেন, আমার প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী ইউপি সদস্য ফোরকান চৌকিদার লোকজন আমার উপরে অতর্কিত হামলা চালিয়েছে। আমাকে রক্ষায় আমার ছেলে, স্ত্রী, দুই বোন এগিয়ে এলে তাদেরকেও কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করেছে। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।
অপর প্রতিদ্বান্দ্বি প্রার্থী ইউপি সদস্য মোঃ ফোরকান চৌকিদার বলেন, জালাল হাওলাদার বরগুনা থেকে ভাড়াটে লোকজন এনে আমার ভাই নাশির চৌকিদার ও ভাইয়ের ছেলে আমিনুলকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে।আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, গুরুতর আহত চারজনকে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।আমতলী থানার ওসি মোঃ শাহ আলম হাওলাদার বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। অভিযোগ পেলে আইনগত কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।এদিকে উপজেলার তারিকাটা গ্রামে জমি-জমা নিয়ে বিরোধের জের ধরে হামলায় আবুল কালাম আজাদ (৫৬) নামক এক ঔষধ ব্যাবসায়ী গুরুতর আহত হয়েছে। আহত আবুল কালাম কে আমতলী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।এ ঘটনায় আহত আবুল কালামের ভাই নাসির উদ্দিন বাদি হয়ে আমতলী থানায় রিয়াজ মুন্সি, নুর সহেদ,সুলতান হাং,মিজান মুন্সি,মজিদ হাং,মুকুল বেগম, ও বাবলু হাং কে আসামি করে আমতলী থানায় মামলা দায়ের করেছেন।