ঢাকাশুক্রবার , ১১ জুন ২০২১
  1. অন্যান্য
  2. আন্তর্জাতিক
  3. এক্সক্লুসিভ
  4. কৃষি ও প্রকৃতি
  5. খেলা
  6. জীবনযাপন
  7. তথ্য ও প্রযুক্তি
  8. প্রচ্ছেদ
  9. প্রবাসের খবর
  10. বাংলাদেশ
  11. বিনোদন
  12. লাইফস্টাইল
  13. সম্পাদকীয়
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বরিশালের বানারীপাড়ায় গ্রাহকের অর্ধকোটি টাকা নিয়ে উধাও রংধনু সমবায় সমিতি

প্রতিবেদক
২৪ ঘন্টা বার্তা
জুন ১১, ২০২১ ১:২৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

বানারীপাড়া প্রতিনিধিঃ-
বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলায় একের পর এক সমবায় সমিতি গুলো গ্রাহকের টাকা নিয়ে উধাও হচ্ছে। এর ধারাবাহিকতায় এবার গ্রাহকদের ৫০ লাখ টাকা নিয়ে উধাও হয়ে গেছে রংধনু সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতি লিঃ।
অফিসটি বাইশারী বাজারে অবস্থিত এবং সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন। সে উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের মৃত আব্দুল রাজ্জাকের ছেলে। পালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে উপজেলা সমাবায় অফিসার আফসানা শাখী নিজেই বানারীপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবরে বুধবার ৯ জুন সমিতির সম্পাদক আলমগীরের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য লিখিত আবেদন করেছেন।

অপর দিকে রংধনু সঞ্চয় ও ঋনদান সমবায় সমিতি লিঃ’র অন্য একটি শাখা অফিস রয়েছে উপজেলার ইলুহার ইউনিয়নের জনতা বাজারে। সেখানে দেড় বছর আগে মাঠ কর্মীর চাকরি নেন ইলুহার গ্রামের মো. মিজানের স্ত্রী আঞ্জু-আরা-বেগম। তিনি ওই শাখায় কর্মরত থাকা অবস্থায় দেড় বছরে বিভিন্ন গ্রাহকদের কাছ থেকে আদায়কৃত ২১ লাখ টাকা আলমগীর হোসেনের কাছে জমা করেন।

মাঠ কর্মী আঞ্জু-আরা-বেগম গ্রাহকদের সঞ্চয়ের মেয়াদ শেষ হওয়া সমিতির প্রকৃত পরিচালক আলমগীর হোসেনের কাছে গ্রাহকদের জমানো টাকা ফেরৎ দিতে বলেন। কিন্তু বিভিন্ন অজুহাতে সে টাকা ফেরৎ দিতে টাল-বাহানা করতে থাকে। এক পর্যায়ে ইলুহার শাখার ২১ লাখ ও অন্য গ্রাহকদের আরও ২৯ লাখ মোট ৫০ লক্ষ টাকা নিয়ে উধাও হয়ে যায় আলমগীর। এ বিষয়ে আঞ্জু-আরা-বেগম জানান, উল্টো তাকে অভিযুক্ত করে হয়রানী করার ফন্দি আঁটছে চতুর আলমগীর।

বরিশালের বানারীপাড়ায় বিভিন্ন অনুসন্ধানে জানাগেছে, পৌরসভাসহ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে প্রায় ২ শত সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতি লিঃ রয়েছে। যার কাগজে কলমে কথিত কমিটি থাকলেও বাস্তবে এর চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। যিনিই সভাপতি/সম্পাদক তিনিই মূলত সমিতি গুলোর সত্ত্বাধীকারী। প্রতিদিন মাঠ থেকে আদায়কৃত অর্থ সমিতির সত্ত্বাধীকারীর কাছেই জমা হয়। যথাযথ তদারকীর অভাবে এই উপজেলা থেকে গ্রাহকদের জমানো লাখ লাখ টাকা নিয়ে ধারাবাহিকভাবে পালিয়ে যাচ্ছে কথিত সমিতি গুলো। তাই দ্রুত সমাধানের জন্য কর্তৃপক্ষ নজরদারি বাড়ানো উচিত।

error: Alert: Content is protected !!