বাগেরহাটে করোনা রোধে মাস্ক বিতরণ ও ৪ ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান


২৪ ঘন্টা বার্তা   প্রকাশিত হয়েছেঃ   ২ এপ্রিল, ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক, সাগর মন্ডল, খুলনা::: “নিজে বাঁচুন, অন্যকে বাঁচান” শ্লোগানে করোনা সংক্রমন প্রতিরোধে মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্যবিধি সুরক্ষায় বাগেরহাট জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সচেতনতামূলক প্রচারাভিযান শুরু হয়েছে। একইসাথে জেলা প্রশাসনের ৪ টি ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালিত হচ্ছে। জেলা প্রশাসক আ.ন.ম ফয়জুল হকের তত্ত্বাধানে গত ৪ দিন ধরে সকল রুটের পরিবহন, বাস, হাট-বাজার, রেষ্টুরেন্ট-হোটেল ও জনবহুল সড়কে স্বাস্থ্যবিধি সুরক্ষায় অভিযান চালানো হয়। এসময় সচেতনামূলক লিফলেট ও মাস্ক বিতরণ করা হয়। পথচারী অনেকের মুখে মাস্ক পরিয়ে দেওয়া হয়। পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি না মানায় একাধিক ব্যক্তিকে জরিমানা করা হয়। পৃথক এ ভ্রাম্যমান আদালতের নেতৃত্ব দেন, বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোচ্ছাবেরুল ইসলাম, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রুবাইয়া তাসনিম, মোহাম্মদ শাহজাহান, আরাফাত সিদ্দিকী, আজিজুল কবির, মারজানা আক্তার, রুবাইয়া বিনতে কাশেম এবং মোহাম্মদ মোজাহেরুল হক।

অপরদিকে, “মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা সুরক্ষায়” মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এসময় মেডিক্যাল বর্জ্য নিয়মানুযায়ী ব্যবস্থাপনা না করায় বিভিন্ন ক্লিনিক ও প্যাথলজীতে অভিযান চালানো হয়। এদিকে, কৃষি জমি থেকে মাটি কেটে ইটভাঁটিতে ব্যবহার করার অপরাধে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। সদর উপজেলার গোটাপাড়া ইউনিয়নের কেশবপুর গ্রামের মেসার্স মনির ব্রিকস নামে ইট প্রস্তুতকারী একটি প্রতিষ্টান দীর্ঘদিন ধরে পাশের কৃষি জমির মাটি কেটে তা দিয়ে ইট তৈরি করে আসছিলেন। ফলে জমির উর্বর শক্তি হ্রাস ও পরিবেশের বিপর্যয় সৃষ্টি হয়। এ অঞ্চলে আরও অনুরূপ ইটভাঁটি রয়েছে। সেখানেও অভিযান চালানো হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়।

বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক খোন্দকার মোহাম্মাদ রিজাউল করিম বলেন, করোনার শুরু থেকেই আমরা জনসাধারণকে সচেতন করতে লিফলেট এবং মাস্ক বিতরণ করে আসছি। স্বাস্থ্য বিধি মান্য করতে ভ্রাম্যমান আদালত চলমান ছিল। ২৬ মার্চ থেকে এসব কার্যক্রম আরও জোরালো করা হয়েছে। বর্তমানে প্রতিদিন আমাদের ৪টি ভ্রাম্যমান টিম মাঠে কাজ করছে। করোনা প্রকোপ শেষ না হওয়া পযন্ত আমাদের এসব কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।