বিরলে স্কুল শিক্ষার্থীকে গণধর্ষণের ঘটনায় প্রেমিকসহ আটক ২


২৪ ঘন্টা বার্তা   প্রকাশিত হয়েছেঃ   ২৭ মার্চ, ২০২১

অনলাইন ডেস্ক:: বিরলে বিয়ের প্রলোভনে বাড়ী থেকে বের হয়ে এসে দশম শ্রেণীর এক শিক্ষার্থী গণধর্ষনের শিকার হয়েছে। ঘটনায় বিরল থানায় সংশ্লিষ্ট ধারায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। ঘটনায় প্রেমিক সোহানসহ অপর এক ধর্ষককে আটক করে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
ধর্ষিতা (ভিকটিম) ও পুলিশ জানিয়েছে, মোবাইল ফোনে প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ওই স্কুল ছাত্রীকে গত ২৫ মার্চ বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টার দিকে তাঁর বোচাগঞ্জ রেল স্টেশন এলাকার বাড়ী থেকে বের করে দিনাজপুর শহরে নিয়ে আসে বিরল উপজেলার উত্তর দোগাছী গ্রামের মাহাবুব আলমের পুত্র প্রেমিক সোহানুর রহমান সোহান (১৮)। এরপর ওই শিক্ষার্থীকে শহরের সিটিপার্কসহ বিভিন্ন জায়গায় ঘোরা-ফেরা করে রাত ১১ টার দিকে বিরল উপজেলার ধামইর ইউপি’র ধুকুরঝাড়ী পিপল্যা এলাকার একটি ভূট্টাক্ষেতে এনে প্রথমে প্রেমিক সোহান ওই শিক্ষার্থীকে তাঁর ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে। পরে ঘটনাস্থলে পোঁছে আরোও দুইজন ব্যক্তি। তারাও বিভিন্ন রকম ভয় দেখিয়ে ওই শিক্ষার্থীকে জোড়পূর্বক উপর্যুপরী ধর্ষণ করে। রাত পৌনে ২ টার দিকে প্রেমিক সোহান গণধর্ষনের শিকার ওই শিক্ষার্থীকে নিয়ে বিরল-ধুকুরঝাড়ী পাকা সড়ক দিয়ে ধুকুরঝাড়ী বাজারে যাবার সময় বিরল থানার টহলরত পুলিশ তাঁদের গতিরোধ করে গভীর রাতে সড়কে চলাফেরা করার উদ্দেশ্য জানতে চায়। এ সময় ভিকটিম সব ঘটনা পুলিশের সামনে খুলে বললে টহলরত পুলিশ ভিকটিমকে উদ্ধার ও ধর্ষক প্রেমিক সোহানকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। পরের দিন শুক্রবার সকালে পুলিশ তাঁদের দুই জনকে নিয়ে ঘটনাস্থলে যাবার পথে অপর দুইজন ধর্ষকের মধ্যে ডালিম নামের একজন ধর্ষককে সনাক্ত করে পুলিশকে দেখিয়ে দেয় ভিকটিম ও ধর্ষক প্রেমিক সোহান। ফলে পুলিশ তাঁকেও আটক করে থানায় নিয়ে আসে। ধর্ষক ডালিম চন্দ্র রায় (৩০) উপজেলার ধামইর ইউপি’র পিপল্যা গ্রামের শিতল চন্দ্র রায়ের পুত্র। শুক্রবার বিকালে ভিকটিমের মা বাদী হয়ে আটক ধর্ষক সোহানুর রহমান সোহান, ডালিম ও অপর একজন ধর্ষককে অজ্ঞাত আসামীকে করে সংশ্লিষ্ট ধারায় থানায় ২৮ নং মামলা দায়ের করে। পুলিশ আটক দুই ধর্ষককে গ্রেফতার দেখিয়ে জেল হাজাতে প্রেরণ করে এবং শনিবার সকালে ধর্ষিতাকে ডাক্তারী পরীক্ষা সম্পন্নের জন্য দিনাজপুর এম আবদুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগে প্রেরণ করে। বিকালে এ রিপোর্ট প্রস্তুতের সময় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই অলিয়ার রহমান জানান, ডাক্তারী পরীক্ষা সম্পন্ন হলে ভিকটিমকে আদালতে জবানবন্দী প্রদানের জন্য নেয়া হবে।