ভোলার মনপুরা থেকে তজুমদ্দিনে নৌপথের ভোগান্তিতে অসুস্থ যাত্রিদের ফেরির দাবি।


২৪ ঘন্টা বার্তা   প্রকাশিত হয়েছেঃ   ১২ মার্চ, ২০২১

মেহেদী বেলাল, মনপুরা প্রতিনিধি:: ভোলা মনপুরার সঙ্গে জেলার বিভিন্ন উপজেলার যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম নৌপথ। প্রতিদিন শত শত যাত্রীকে তজুমদ্দিন ,চরফ্যাশন , হাতিয়া, নোয়াখালীসহ বিভিন্ন জেলায় উপজেলায় যাতায়াত করতে হয় নৌপথেই।মনপুরা থেকে ভোলায় যাতায়াতের জন্য সড়ক পথ যা আছে সেখানেও যুক্ত রয়েছে নৌপথ। এখানে ভরসা একমাত্র সি-ট্রাক। কিন্তু বিকাল ২ টার পর সি-ট্রাক বিকল হয়ে যায়। বর্ষায় জোয়ারের পানিতে ঘাট তলিয়ে যাওয়াসহ নানা সমস্যা। ফলে দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে মনপুরা থেকে ভোলায় অসুস্থ রুগী নিয়ে যাওয়া যাত্রীরা। বিশেষ করে মনপুরা তজুমদ্দিন নৌপথের যাত্রিদের দুর্ভোগ বেশি হচ্ছে।অনুসন্ধানে জানা গেছে,মনপুরা অভ্যন্তরীণ ও দূরপাল্লার কয়েকটি রুটে ভোলার যোগাযোগ রক্ষা হয়ে থাকে। এর মধ্যে তজুমদ্দিন রুট গুরুত্বপূর্ণ। রয়েছে মনপুরা-তজুমদ্দিন সি-ট্রাক রুট। কিন্তু মাঝে মধ্যে দেখা যায়, এসব রুটে সি-ট্রাক সংকট তীব্র আকার ধারণ করে। তখন যাত্রীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়।যাত্রী ও অসুস্থ ডেলিভারি রুগিদের অভিবাবক’দের অভিযোগ, মনপুরা -তজুমদ্দিন রুটে রয়েছে মাত্র একটি সি-ট্রাক। তাও আবার প্রায়ই বিকলে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। আর বর্ষা মৌসুমে সমস্যা তো রয়েছেই।সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘ বিকাল ২ টার পর সি-ট্রাক চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে উভয় পারেই তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এ রুটে দুইটি ফেরি দিলে সমস্য কমত। ফেরি না থাকায় সি-ট্রাকের ওপরই নির্ভর করতে হয় যাত্রীদের। তাই এ রুটে ২ টি ফেরির প্রয়োজন। এ রুটে সি-ট্রাক চলাচলের পাশাপাশি ছোট ছোট লঞ্চ চলাচল অব্যাহত রয়েছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এসব ছোট লঞ্চেই নদী পাড়ি দিচ্ছে হাজারো মানুষ।নৌপথের মধ্যে চরফ্যাশন,হাতিয়া,তজুমদ্দিন নোয়াখালী সহ বিভিন্ন চরের -রুট বেশি ঝুকিপূর্ণ। এসব রুটে ছোট ছোট লঞ্চ ও ইঞ্জিন চালিত ট্রলার চলাচল করায় যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মধ্যে মনপুরা হাজির হাট,রামনেওয়াঘাট -তজুমদ্দিন,মনপুরা জনতাঘাট-চরফ্যাশন বেতুয়াঘাট রুটে ছোট লঞ্চ ইঞ্জিন চালিত ট্রলার ১ টি মাত্র সি-ট্রাক চলাচল করছে। যা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। এসব রুটে ফেরির প্রয়োজন।
মনপুরার মানুষের দাবি মনপুরা হতে তজুমদ্দিন ২টি ফেরির প্রয়োজন। ভোলা জেলা হতে মনপুরা ১টি বিছিন্ন দ্বীপ,এ দ্বীপে প্রায় ১লক্ষ ৫০ হাজার লোকের বসবাস। বিভিন্ন সময় অসুস্থ রুগি নিয়ে যাওয়া আসা অনেক কষ্ট। দিনের ২.০০টার পর যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। সর্বস্তরের প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষন করছে তারা।।