মুলাদীর বাটামারায় গনসৌচাগার আড়াল করে সরকারী খাস জমিতে পাকা দোকান ঘর নির্মানের অভিযোগ


২৪ ঘন্টা বার্তা   প্রকাশিত হয়েছেঃ   ৪ এপ্রিল, ২০২১

রাসেল মল্লিক,মুলাদী প্রতিনিধিঃ
মুলাদী উপজেলা বাটামারা ইউনিয়নের সেলিম পুর বাজারের গনসৌচার আড়াল করে তার সামনের খাস জমিতে পাকা দোকান ঘর নির্মানের অভিযোগ পাওয়া গেছে বর্তমান ইউনিয়ন চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম এর ঘনিষ্ঠ সহচর সাবেক ইউপি সদস্য আবুল হোসেন এর বিরুদ্ধে। এঘটনায় স্থানীয় জনসাধারণ ও বন্দর ব্যবসায়ীদের পক্ষে খাস জমিতে দোকান ঘর নির্মান বন্দ করার জন্য মুলাদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও মুলাদী থানা অফিসার ইনচার্জ বরাবরে লিখিত আবেদন করেন বাটামারা ইউনিয়ন এর ৬নং ওয়ার্ডের বর্তমান ইউপি সদস্য ইয়ার হোসেন রানা। স্থানীয় সুত্রে জানাগেছে,  দীর্ঘদিন যাবত বাটামারা ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা অফিসের সামনে দোকান ঘর নির্মান করে ভোগদখল করে আসছে সাবেক ইউপি সদস্য আবুল হোসেন, কিন্তু উক্ত ঘর টি ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা অফিসের সামনে হওয়াতে ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা অফিসের উদ্বোধন হওয়ায় তার দোকানঘর ভেঙ্গে দেয়া হয়। পরবর্তীতে সাবেক ইউপি সদস্য আবুল হোসেন রাস্তার পাশে জমি না পেয়ে গন সৌচাগাড়ের সামনের সরকারী খাস জমিতে পাকা দোকান ঘর নির্মানের কাজ শুরু করেন। এতে এলাকাবাসী বাধা দিলে কাউকে তোয়াক্কা না করে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় তিনি দোকানঘর নির্মানের কাজ শুরু করেন। স্থানীয় লোকজন জানান, উক্ত স্থানে বিগত দিনে এলাকার শাহ আলম বেপারী ও সালাউদ্দিন হাওলাদার এর দোকান ছিল, পরবর্তীতে শাহআলম বেপারী মৃত্যু বরন করায় তার স্ত্রী সেই দোকান চালিয়ে নিজের পরিবারের ভরন পোষন করতেন, কিন্তু বিগত দিনে বাটামারা ইউনিয়নের সেলিম পুর বাজার উন্নয়নের স্বার্থে তার দোকানটি উচ্ছেদ করে দেয়া হয়, সেই জায়গায় কিকরে সাবেক এই ইউপি সদস্য পুনরায় দোকানঘর নির্মান করতেছেন। থানায় লিখিত অভিযোগ সুত্রে জানাগেছে, বাটামারা ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম, রিপন হাওলাদার, মোস্তফ সরদার, মুরাদ হোসেন সহ স্থানীয় কতিপয় প্রভাবশালী ব্যক্তির নির্দেশে এই দোকানঘর নির্মান করছেন, আবুল হোসেন সিকদার। অভিযোগে উল্ল্যেখ করা হয়, দোকানঘর নির্মানে বাধা দেয়ায় ৬নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ইয়ার হোসেন রানাকে হুমকি দিয়ে বর্তমান চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম সিকদার বলেন, আমি সরকারী সম্পত্তিতে ইটের তৈরী দোকানঘর নির্মান করতেছি, তাহাতে তোর বাপের কি, পুনরায় কাজের কাছে আসলে জীবনের তরে শেষ করে দিব।  এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন সরকারী জমির উপর সকল স্থাপনা তৈরি করায় নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, তবে আমি তদন্ত সাপেক্ষে দ্রæত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করবো।