রাজশাহী পুঠিয়ায় এসআই ক্যাসফায়ারের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ


২৪ ঘন্টা বার্তা   প্রকাশিত হয়েছেঃ   ৭ মার্চ, ২০২১

অনলাইন ডেস্ক:: রাজশাহী পুঠিয়ায় থানা মামলা নিয়েছে কিন্তু ২ মাসে একটি আসামীকে গ্রেফতার করেনি। বাদী আসামি ধরার কথা বললে,উপ-পরিদর্শক বাড়িতে গিয়ে মেয়ে মানুষকে মারধর করে প্রকাশ্যে বলে আসেন,বেশি বাড়াবাড়ি করলে ক্যাসফায়ারের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মামলা সূত্রে জানা গেছে,উপজেলার শিলমাড়িয়ার ইউনিয়নের শড়গাছি গ্রামে পূর্ব শক্রতার জেল ধরে ৫ জানুয়ারি বিকালে লোহার রড়, হাসুয়া নিয়ে কয়েকজন মিলে দলবদ্ধভাবে বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করে। আসামি সামাদ ৪ লাখ টাকা দাবি করে এবং বাড়িতে ভাংচুর চালায়। তারা বলেন,আমাদের নামে সম্পত্তি লিখে দিতে হবে। না দিলে তোরা এই গ্রামে বসবাস করতে পাড়বি না। এ বিষয়ে থানায় মামলা করতে চাইলে, তখন থানা মামলা নিতে গড়িমসি করে। পরে বাধ্য হয়ে ১৩ জানুয়ারি ১১ জনকে আসামি করে একটি মামলা নিয়েছে। মামলার বাদী আরিফুল ইসলাম বলেন, আমার বড় ভাই আঃ আজিজ বাদী হয়ে গত ১১ জুলাই ২০২০ সালে ৯ জনকে আসামি করে থানায় একটি মামলা করে ছিল। আমার করা মামলাটি গত ২ মাস অতিবাহিত হওয়ার পরও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক সইবুর রহমান একটি আসামীকে গ্রেফতার করেনি। বরং আসামিরা থানা এসে এসআইয়ের সঙ্গে গল্প করতে দেখা গেছে। উল্টো আসামীদের পক্ষ নিয়ে স্বাক্ষীদের বাড়িতে গিয়ে সইবুর এসআই মেয়ে মানুষকে মারধর করে এবং প্রকাশ্যে বলে আসেন, বেশিবাড়াবাড়ি করলে ক্যাসফায়ার দেওয়ার হুমকি দিয়ে আসেন। আসামি ধরব না পাড়লে কিছু কর। মেয়েদের মারধরের মোবাইলে ভিডিও ধারন করতে গেলে মোবাইলটি ভেঙে ফেলেন এবং বাড়িতে থাকা আরো কয়েকটি মোবাইল ফোন থানায় নিয়ে আসেন। মেয়েদের মারধরের প্রতিবাদে গত ১৬ ফ্রেরুয়ারি শড়গাছি গ্রামে সইবুর এসআইয়ের বিরুদ্ধে শড়গাছি এলাকায় মানববন্ধন করা হয়েছে। বাদীর বড় ভাই বলেন, থানা মোটা টাকা নেওয়ার কারণে,আসামীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালে তাদের গ্রেফতার করা হচ্ছে না। আরিফুলের মামলার যারা স্বাক্ষী হয়েছে। তাদের মিথ্যা চাঁদাবাজীর মামলা দিয়ে গ্রেফতার করে এনেছে। আসামিরা আবারও রক্তখয়ী সংর্ঘষ করার জন্য পথেঘাটে বিভিন্ন রকম হুমকি দিয়ে বেড়াচ্ছেন। সইবুর এসআই আমাদেরর সম্পতি আসামীদের ছেড়ে দেওয়ার কথা বলে। উপপরিদর্শক সইবুর রহমানকে মেয়ে মানুষদের মারধর এবং মানববন্ধন করার ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, থানায় এসে ওসি স্যারের সঙ্গে কথা বলেন,বলে ফোনের রেখেদেন।
এ ব্যাপারে থানার কর্মকর্তা ইনচার্জ (তদন্ত) খালেদুর রহমান বলেন, মামলার বাদী একজন ভূমিদস্য। মানববন্ধনের ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, পুলিশের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করলে পুলিশ একটু কাবু হয়ে যায়। তাই মিথ্যা মানববন্ধন করে ছিল। আর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্তের স্বার্থে কাকে আটক করবে এটা তার ব্যাপার।