২ বছরে ও আলোর মুখ দেখেনি দিঘলিয়া উপজেলা সদরের মডেল মসজিদ নির্মাণ


২৪ ঘন্টা বার্তা   প্রকাশিত হয়েছেঃ   ৩ এপ্রিল, ২০২১

অনলাইন ডেস্ক:: খুলনার দিঘলিয়া উপজেলা সদরের কেন্দ্রীয় মসজিদ ভেঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতায় এই মডেল মসজিদ নির্মাণের কার্যাদেশ পায় ” টিচবি-মামুন (জেভি) কনস্ট্রাকশন নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ২০১৯ সালের জুন মাসে কার্যাদেশ পাওয়ার এক মাসের মধ্যে কাজ শুরু করার সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটিকে কার্যাদেশ দেন খুলনার গণপূর্ত বিভাগ ১, ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে জমি অধিগ্রহণের ছাড়পত্র না পাওয়ায় প্রায় দুই বছরে উপজেলার প্রধান এই মসজিদ নির্মাণ কাজ শুরু হয়নি। দীর্ঘদিন দিঘলিয়া উপজেলা মডেল মসজিদ নির্মাণ কাজ বন্ধ থাকায় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ” টিচবি-মামুন (জেভি) কনস্ট্রাকশন। গণপূর্ত বিভাগ খুলনা ১ সূত্রে জানা যায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অগ্রাধিকার প্রকল্পের আওতায় ইসলামি ফাউন্ডেশন-এর মাধ্যমে ধর্ম মন্ত্রণালয় প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় একটি করে মোট ৫৬০ টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। দিঘলিয়া উপজেলা সদরের মডেল মসজিদ নির্মাণে ৩১ শতাংশ জমির উপর ১৩ কোটি ২৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে মসজিদ কমপ্লেক্স নির্মাণের স্থান নির্ধারণ হয়। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশের সময় বেঁধে দেওয়া হয় ১৮ মাস। গত বছরের ডিসেম্বর মাসে নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে জমি অধিগ্রহণের ছাড়পত্র পেতে দেরি হওয়ায় দিঘলিয়ার আধুনিক এই মসজিদ নির্মাণ কাজ ব্যাহত হচ্ছে। এই প্রসঙ্গে দিঘলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাহবুবুল আলম বলেন উপজেলা সদরের কেন্দ্রীয় এই মসজিদ যাতে দ্রুত নির্মাণ কাজ শুরু হয় সেজন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি। দায়িত্বভার গ্রহণের এই সাত মাসে জেলা প্রশাসক খুলনা, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করেছি। ছয় মাস আগে খুলনা জেলা প্রশাসক -এর ভূমি অধিগ্রহণ শাখার মাধ্যমে আমরা জমি অধিগ্রহণের প্রস্তাবনা ধর্ম মন্ত্রণালয়ে পাঠাই। তিনি আরো বলেন, মসজিদের লে-আউট দিতে গিয়ে দেখা যায় মসজিদের কেবলার অবস্থান হবে কৌনিক আকারের যার জন্য প্রস্তাবিত জমির পরিমান বেড়ে যায়। সৌদি আরবের আদলে নির্মিত এই আধুনিক মডেল মসজিদ কমপ্লেক্স নির্মিত হলে উপজেলার ইসলামি ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম এখান থেকে পরিচালিত হবে।